পরিচিতি ও ইতিহাস

পরিচিতিঃ
সরুগ্রাম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়টি বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার অন্তর্গত কালেরপাড়া ইউনিয়নের সরুগ্রাম মৌজার মধ্যে সরুগ্রামে ধুনট সোনাহাটা পাকা রাস্তা সংলগ্ন রাস্তার পূর্ব পার্শ্বে মনোরম পরিবেশে অবস্থিত।
ইতিহাস:
১৯.. সনের পূর্বে উত্তর ধুনটে মাধ্যমিক শিক্ষাবিস্তারের নিমিত্ত কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকায় প্রবল ইচ্ছা থাকা স্বত্বেও সিংহভাগ জনসাধারণ তাদের ছেলেমেয়েকে শিক্ষা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য হতেন। সে সময় মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছিল ৮ কি: মি: দক্ষিণে ধুনট এন.ইউ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, পূর্বে গোসাইবাড়ী উত্তরে চন্দন বাইশা পি.এন উচ্চ বিদ্যালয় পশ্চিমে বগুড়া সদর। সে কারণে গুটিকতক পরিবার ব্যতিত অন্যরা ছেলেমেয়ের মাধ্যমিক শিক্ষার স্বপ্ন দেখতেন না। বিষয়টি উত্তর ধুনটের সরুগ্রাম নিবাসী মরহুম কিফাতুল্যা মন্ডল সাহেবের মর্ম স্পর্শ করে। তিনি তার ছেলে মরহুম মজিবুর রহমান মন্ডল মরহুম ওসমান গনি মন্ডল ও মরহুম মন্তেজার মন্ডল মরহুম তোফাজ্জল হোসেন কে এ ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করেন। তাহারা পিতার স্বপ্ন কে বাস্তবায়ন করনের নিমিত্ত গ্রাম বাসীকে একত্রিত করিয়া বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব রাখেন। এখানে উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুফল আলোচনার পর সকলে স্বতস্ফুত ভাবে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত্তিক্রমে গ্রহণ করেন। ১৯৩৯ সনে সরুগ্রাম মৌজার মধ্যে কিফাতুল্যা মন্ডলের স্ত্রী মরহুমা তফুরুন্নেছা বেগমের পৈত্রিক জমিতে সরুগ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল। তাই এই বিদ্যালয়ের পার্শ্বে সরুগ্রাম বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তাহারা পার্শ্ববর্তী গ্রাম হাঁসখালী, কান্তনগর, কাদাই, নিক্তিপোতা, শিয়ালী, ঈশ্বরঘাট, নান্দিয়ারপাড়া, নিমগাছী, রামনগর, হেউটনগর, পশ্চিম কান্তনগর, উত্তর কান্তনগর, কান্দুনিয়া, বিলচাপড়ী, শৈলধুকরী, বেড়েরবাড়ী, চাপড়া, ঝিনাই গ্রাম ঘুরে অভিভাবকবৃন্দের মতামত যাচাই করেন। পরবর্তীতে সকলের সহযোগীতায় বাঁশ, খরযোগার করে ছনের ঘেরে বিদ্যালয়ের কাজ শুরু হয়। গ্রামবাশী আগ্রহের সাথে ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাইতে লাগিলেন এবং বাহির গ্রামের ছেলেমেয়েদের জায়গীরের ব্যবস্থা করেন। বিদ্যালয়ে দ্রুত ছাত্রছাত্রী বৃদ্ধি পেতে থাকে। গ্রামের লোকজনের যার যেমন সামর্থ সেমত চাঁদা ও শ্রম দিয়ে বিদ্যালয়ের কলেরব বৃদ্ধিতে সাহায্য করেন। অবশেষে ১৯৫৯ সনে বিদ্যালয়টি জুনিয়র বিদ্যালয় হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করেন। এই অঞ্চলে ২য় কোন উচ্চ বিদ্যালয় না থাকায় বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে। বিদ্যালয়টি প্রথমে মানবিক বিভাগসহ নবম শ্রেণিতে পাঠদান অনুমতি প্রাপ্ত হয়। অতঃপর ১৯৬৭ সনে প্রথম মানবিক বিভাগের ছাত্রছাত্রী এস.এস.সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে বহিরাগত পরীক্ষার্থী হিসেবে। উচ্চ বিদ্যালয়ের মাধ্যমে অতঃপর ১৯৬৮ সালে পুরোপুরিভাবে এস.এস.সি পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি প্রাপ্ত হয়। ১৯৬৮ সনে নবম শ্রেণিতে ৫১ জন মুসলিম ও ২ জন হিন্দু ছাত্রছাত্রী ও দশম শ্রেণিতে ৩৫ জন মুসলিম ও ২ জন হিন্দু ছাত্রছাত্রী তালিকাভুক্ত হয়।
বিদ্যালয়টির প্রথম স্বীকৃতির তারিখঃ
স্মারক নং-
১৯..   সনে বিজ্ঞান শাখার অনুমতিপ্রাপ্ত হওয়ার পর দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মর্যাদা লাভ করে।
১৯..  সনে ব্যবসায় শিক্ষা শাখার অনুমতি প্রাপ্ত হওয়ায় বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মর্যাদা লাভ করে।eZ©gv‡b বিদ্যালয়ে মানবিক, বিজ্ঞান, ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা চালু আছে এবং কম্পিউটার ও কৃষি শিক্ষা বিষয় চালু আছে।
বিদ্যালয়ের বর্তমান স্বীকৃতির তারিখ-৩১-১২-২০১৭ ইং।
স্মারক নং-

নোটিশ বোর্ড

আমাদের তথ্য

শিক্ষায়তনিক

প্রাতিষ্ঠানিক

ভর্তি

অনলাইন লাইব্রেরী

 
Flag Counter